ইরানের সামরিক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দেশের পরিস্থিতি এখনো যুদ্ধকালীন হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে। তারা বলেছে, যেকোনো ধরনের সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় সর্বক্ষণ নজরদারি চালানো হচ্ছে। সামরিক মুখপাত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, শত্রুপক্ষ যদি নতুন কোনো পদক্ষেপ নেয়, তাহলে আধুনিক সরঞ্জাম ও কৌশল ব্যবহার করে কঠোর জবাব দেওয়া হবে।
যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে সম্পৃক্ত ৩৫টি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। এসব প্রতিষ্ঠানকে তথাকথিত ‘ছায়া আর্থিক নেটওয়ার্ক’-এর অংশ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। মার্কিন কর্তৃপক্ষের দাবি, এই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ স্থানান্তর করা হয়েছে, যা অবৈধ কার্যক্রমে ব্যবহৃত হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এমন এক সময়, যখন দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা ও আলোচনা স্থবির হয়ে আছে।
লেবাননে চলমান ইসরায়েলি হামলায় হতাহতের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। দেশটির স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, হামলায় এখন পর্যন্ত কয়েক হাজার মানুষ নিহত এবং আরও বহু মানুষ আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি দিন দিন আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে।
বিশ্বজুড়ে জ্বালানি পরিস্থিতি অস্থির হয়ে ওঠার প্রেক্ষাপটে হরমুজ প্রণালিতে চলমান সংকট নিরসনে উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে জার্মানি। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথে তৈরি হওয়া জটিলতা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহে প্রভাব ফেলছে।
তিনি আরও বলেন, এই সংকট সমাধানে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সক্রিয় ভূমিকা প্রয়োজন। বর্তমানে বহু জাহাজ ও নাবিক এই পরিস্থিতির কারণে আটকা পড়েছেন, যা বৈশ্বিক বাণিজ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। জার্মানি এই ইস্যুতে আন্তর্জাতিক উদ্যোগে অংশ নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।