দেশের কয়েকটি জেলায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনা ও একটি কৃষিযন্ত্র দুর্ঘটনায় মোট ১০ জন প্রাণ হারিয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অনেক মানুষ।
সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলায় একটি যাত্রীবাহী বাসের চাপায় ব্যাটারিচালিত ভ্যানের চালকসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে এক দম্পতিও রয়েছেন। দুর্ঘটনায় তাদের কিশোরী মেয়েসহ অন্তত ১০ জন আহত হন।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সকালে উপজেলার মেঘুল্লা এলাকায় চলন্ত ভ্যানটির যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিলে যাত্রীরা সড়কে পড়ে যান। এ সময় দ্রুতগতির একটি বাস তাদের ওপর উঠে গেলে ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয়। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুই পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় চারজন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে এক ঘটনায় মা ও তাঁর শিশুপুত্র প্রাণ হারান।
প্রথম ঘটনায় একটি পিকআপ ভ্যান অটোরিকশাকে ধাক্কা দিলে চালকসহ কয়েকজন যাত্রী গুরুতর আহত হন। পরে হাসপাতালে তিনজনকে মৃত ঘোষণা করা হয়।
অন্য ঘটনায় একটি প্রাইভেটকার ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার সংঘর্ষে এক যাত্রী নিহত হন।
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে দুটি যাত্রীবাহী বাসের মধ্যে সংঘর্ষে দুইজন নিহত এবং অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছেন।
জানা যায়, একটি বাস সড়কের পাশে সেতুতে ধাক্কা খাওয়ার পর পেছন থেকে আরেকটি বাস সেটিকে আঘাত করে। এতে দুই বাসের বহু যাত্রী আহত হন। গুরুতর আহত দুজন পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
ফরিদপুরের চরভদ্রাসন এলাকায় কৃষিকাজের সময় একটি ট্রাক্টর নদীতে পড়ে গেলে চালক নিহত হন।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, গভীর রাতে নদীতীরবর্তী জমিতে কাজ করার সময় ট্রাক্টরটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পানিতে পড়ে যায়। পরে উদ্ধার অভিযান চালিয়ে চালকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
সাম্প্রতিক এসব দুর্ঘটনার পর সড়কে এবং কৃষিকাজে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার প্রয়োজনীয়তার কথা জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশেষজ্ঞদের মতে, যানবাহনের যান্ত্রিক অবস্থা নিয়মিত পরীক্ষা, ট্রাফিক আইন মেনে চলা এবং পর্যাপ্ত সতর্কতা অবলম্বন করলে এ ধরনের দুর্ঘটনা অনেকাংশে কমানো সম্ভব।